October 30, 2020
You can use WP menu builder to build menus

২ দিন বয়সী বেবি মুহাম্মদ আমাদের কাছে এল কপালে গোলাপি লাল রঙের ছোপ ছোপ নিয়ে। সবাই চিন্তিত এটা কি জন্ম দাগ, সারা জীবন কি রয়ে যাবে?

প্রথমেই জেনে নেই জন্ম দাগ কি ও কেন হয়?

শিশু জন্মের সময়ে বা কিছু দিন পর লালচে, গোলাপি বা নীলচে এমনকি কালো কিছু দাগ শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রকাশিত হয় যেগুলো জন্ম দাগ বা পোর্ট ওয়াইন স্টেইন নামে পরিচিত। পর্তুগালের লাল রঙের এক বিশেষ ওয়াইন এর রং এর সাদৃশ্য থাকায় এই নামকরণ করা হয়েছে।

সাধারন্ রক্তনালির কোন অস্বাভাবিকতা যা জীনগত বা বাচ্চা জন্ম নেয়ার জন্য হয় অথবা ত্বকের নিচে অতিরিক্ত পিগমেন্ট কোষ বা মেলানোসাইট জমা হয়ে সৃষ্টি হয়।

সে হিসেবে জন্মদাগ দুই ধরনের, এক মেলানোসাইটিক বা বর্ণজনীত, দুই ভাসকুলার না রক্তনালি জনিত।

এরমধ্যে সবচেয়ে বেশী দেখা যায় লালচে গোলাপি কপালের সম্মুখ ভাগে বা গলার পেছনে লদেখা যায় যা কিনা স্যালমন প্যাচ ( স্যালমন মাছ এর রং এর মত) বা এঞ্জেল কিস নামে পরিচিত।যা শিশু মুহাম্মাদ এর ক্ষেত্রে ঘটেছে। শিশুটি জন্মের সময় দীর্ঘকালীন প্রসব জটিলতা ও অস্বাভাবিক অবস্থানের জন্যই রক্তনালী প্রসারিত হয়ে এটা সৃষ্টি হয়েছে বলেই আমাদেরধারনা।ঁ

এছাড়া কালচে নীলাভ বর্ণের এক ধরনের জন্মদাগ অনেক বেশী শিশুদের পিঠ ও পশ্চাদ ভাগে দেখা যায় যা কিনা মংগোলিয়ান স্পট নামে পরিচিত যা কিনা বর্ণকোষ জনিত কারনে দেখা যায়।

এই উভয় প্রকার দাগের ক্ষেত্রে সুখবর হচ্ছে এই দাগ গুলো ক্ষনস্থায়ী, কিছুদিন পরে এক দুই বছর পরেই আস্তে আস্তে চলে যায় এবং এগুলো কোন রকম জটিলতা তৈরি করে না।

কিন্তু কিছু মংগোলিয়ান স্পট সারা জীবন রয়ে যেতে পারে যদিও সেটা অনেক কম ক্ষেত্রে ঘটে।

তবে কিছু জন্মদাগ অনেক দেখা যায় লাল রং এর বেশ স্পষ্ট কপালের একপাশ থেকে চোখের নিচ পর্যন্ত, কিংবা গলায় বা শরীরের এক অংশ জুড়েই চলে আসে যা কিনা  সারা জীবন রয়ে যায়।

যাই হোক সকল জন্মদাগি একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা পরিক্ষা করা উচিত যাতে পরবর্তী পদক্ষেপ বা সতর্কতায় কোন কমতি না হয়। যদিও বেশীর ভাগ জন্মদাগি কোন চিকিৎসার প্র‍্য়োজন নেই যদি না কসমেটিকস জনিত কারনে রোগী চিকিৎসা করাতে আগ্রহী হয়।

এসব ক্ষেত্রে স্কিন গ্রাফটিং বা লেজার বা প্লাস্টিক সার্জারি এগুলো চিকিৎসা বহুল প্রচলিত।

Spread the love

doctorings

No Comments

Leave a Comment